যে শহর ম্যাজিক দেখায় সন্ধে নামার আগে

আচ্ছা কলকাতা কে কেন আমি এত ভালবাসি ? কি আছে এই শহরে …আর পাঁচটা শহরের মত এই শহরেও তো রোজ একটা ঝা-চকচকে সন্ধে নামে.. শপিং মলগুলোর গা বেয়ে হাসি চুইয়ে পরে বৃষ্টির মত… রাস্তার পাশে দাড়িয়ে কোনো একটা মেয়ে ফুচকা খেতে খেতে তার বন্ধুকে বলে “এটা হলো এই শহরের বেস্ট ফুচকার দোকান. এই ফুচকা কাকুর হাতে না জাদু আছে”… একটা হইচই করা বন্ধুদের দল রোজ কলকাতায় আসে কোনো না কোনো কাজে.. তাদের হাসি , ঠাট্টা আর ইয়ার্কি- তে নতুন ভাবে জেগে ওঠে সেই কবেকার পুরনো এই শহরটা .. কলকাতা আবার নতুন করে মডার্ন হয় যখন এই শহরেরই কোনো এক গলি তে লুকিয়ে থাকা কোনো কবি নতুন ভাবনার কোনো কবিতা লেখে…. প্রতি শীতের সকালে যখন প্রিন্সেপ ঘাটে সবাই যায় শুধু ফটো তুলে ফেসবুকে আপলোড করবে বলে , নৌকোয় উঠে যখন তারা টাইটানিক এর পোজ দিয়ে এই শহরকে ফিল্মি বানায়…তখনও এই শহর রাগ করে না.. বরং মুচকি হেসে প্রশয় দেয় … তবুও আমার এই শহর টাকে বিনা দোষে কত মানুষের গালি সহ্য করতে হয় .. “রাস্তায় এত জ্যাম এই শহরের কিছু হবে না” , “বাংলা বন্ধ দূর এই শহরে মানুষ থাকে” আরো কত কি .. সেসব কথা এ-শহর মনে রাখে না …সব ভুলে সে তার প্রতিটা বিকেল আরো ম্যাজিকাল করার চেষ্টা করে… যখন এক বিকেল এ বাইপাস এর রাস্তার সব আলো একসাথে জলে উঠতে দেখে মুদ্ধ হওয়া একটা মেয়ে মনে মনে ভাবে “যে যাই বলুক আমি আমার এই শহরকে ছেড়ে কখনো কথাও যাব না …আমি জানি আমি চলে গেলে এই সুন্দর বিকেল, ঝলমলে সন্ধে আর রাগী দুপুর গুলো আমাকে খুব মিস করবে” আর তখনি এই শহরের আকাশের কোনে কালো মেঘ জমে ওঠে.. যদিও বৃষ্টিতে ভিজলে কলকাতা কে আরো সুন্দর লাগে ..কিন্তু আজ যেন বৃষ্টি না হয় .. আমি চাই না সবাই জানুক আমার এই শহরটা বাইপাস এর রাস্তায় দাড়িয়ে থাকা মেয়েটার চেয়েও বেশি emotional….

Copyright ©ANNAPURNA CHAKRABORTY, All Rights Reserved

Advertisements

TSF SHELL

টেকনোলজির টুকিটাকিতে আজকে TSF-SHELL নিয়ে লিখছে SUPRIYA CHAKRABORTY

আজ আমি এমন কিছু share করতে চাই যেটা যেকোনো android ফোনের ভোল বদলে দিতে পারে …সেটা হলো লঞ্চার. launcher একরকমের android এপ্লিকেশন যেটা স্মার্ট ফোনের হোম স্ক্রিন (ইন্টারফেস) কে নিজের পছন্দ মতো আরো ভালোভাবে সাজিয়ে তুলতে সাহায্য করে ..এক একটা android ভার্সন এর (যেমন kitkat ,jellybean আরো অনেক)একেক রকমের ইন্টারফেস থাকে. এছাড়াও বিভিন্ন company-র ফোনের (যেমন samsung motorola sony LG) নিজস্ব কিছু ইন্টারফেস থাকে
এবার আসল কোথায় আসা যাক .যে জন্য আজকের এই লেখা…এখানে আমি আজ এমন একটা লঞ্চার এর কথা বলব যেটা প্রথম ডাউনলোড করে আমি ভীষণ অবাক হয়ে গেছিলাম আর যে দেখেছিল সেই বলেছিল wow
সেটা হলো TSF SHELL..

আরও জানার জন্য এই ভিডিওটা দেওয়া হলো …………….

আমার ফোনের TSF-SHELL

 

jljl

Screenshot_2014-05-22-08-24-39

Screenshot_2014-05-22-08-25-11

Screenshot_2014-05-22-08-27-08

Screenshot_2014-05-22-08-29-03

Screenshot_2014-05-22-08-30-33

Screenshot_2014-05-22-08-37-20

TSF-SHELL-এর download link…….

https://www.dropbox.com/s/4i3xdqs3xfe007q/tsf-shell-wow%20lyf..apk

“টেকনোলজির টুকিটাকি” আসছে খুব তাড়াতাড়ি

“টেকনোলজির টুকিটাকি” আসছে খুব তাড়াতাড়ি…. অনেক অনেক অনেক ইনফো নিয়ে …. যা আপনি আর কোথাও পাবেন না.. আশাকরি আপনার ভালো লাগবে.. 🙂 এবার থেকে টেকনোলজি হবে আপনার সেকেন্ড language..

আরো জানতে চোখ রাখুন ওয়াও! লাইফ -এ …

তোর জন্য

আমি তোর জন্য এক পৃথিবী বানাবো
যে পৃথিবী শুধুই স্বপ্নময়
যে পৃথিবী সূর্য-এর সাত রঙে রঙ্গিন ..
রোজ সকালের প্রথম আলো জানলা দিয়ে উকি মেরে বলে গুড মর্নিং ..
যে পৃথিবীতে বিকেল নামে রুপকথা গায়ে মেখে
ঘুমের দেশে পথ হারিয়ে স্বপ্নরা সব সত্যি হয় মনকেমনের শেষে ……..
যেই পৃথিবীতে ভালবাসা গুলো বাগানে সাজানো থাকে
সেই পৃথিবী তোকে দিলাম যত্নে রাখিস তাকে………

Copyright ©ANNAPURNA CHAKRABORTY, All Rights Reserved

যারা plagiarism-এর ধার ধারে না

কিছু মানুষ আছে যারা ছোটে আর বাকিরা পিছিয়ে যায়
বা ওরা পিছিয়ে যায় বলেই এরা ছোটে
কিছু মানুষ আছে যারা জেতে আর বাকিরা হেরে যায়
বা ওরা হারে  বলেই এরা জেতে
কিছু মানুষ  আছে যারা লেখে আর বাকিরা পাঠক হয়
বা ওরা পাঠক হয় বলেই এরা লেখে
আর কিছু মানুষ আছে যারা টোকে তাদের জন্য শুধুই করুণা
 তাদের জন্য বাকিদের কিছু যায় আসেনা..

P.S.: আশা করব এটা চুরি হবেনা.. “everyone was born an original, dont die a copy”

Copyright ©ANNAPURNA CHAKRABORTY, All Rights Reserved

হ্যাপি বার্থ ডে রবি ঠাকুর

আজ রবি ঠাকুরের জন্মদিন.. ছোটবেলায় এই দিনটা আমার কাছে খুব স্পেশাল ছিল.. আমাদের পাড়ায় প্রতিবছর খুব যত্ন করে রবীন্দ্র জয়ন্তী পালন হত .. সেবার ঠিক হলো নাটক হবে ..সবাই খুব excited .. অডিশন শুরু হলো.. কিন্তু আমি কোনো রোল পেলাম না… সেই গরেমের বিকেলে আমার মুখটা বোধহয় বর্ষার মেঘের মতো কালো হয়ে গেছিল .. তাই কেউ কেউ এসে আমায় বোঝালো “তুই তো খুব ছোট, তাই তোকে নাটকে নেওয়া হয়নি.. কত কষ্ট হবে জানিস, এবার থেকে রোজ বিকেলে রিহার্সাল.. ডায়লগ মুখস্ত করা আরো কত কি … তার চেয়ে তুই কবিতা বল”……হুম কবিতাই বলেছিলাম আমি .. চার লাইন এর ছোট একটা কবিতা ..আর তার কিছুক্ষণ পর ঝেপে বৃষ্টি নেমেছিল ঠিক নাটক শুরু হওয়ার আগে.. আমার মনে হয়ে ছিল আমার মতো ঠাকুরেরও বোধহয় মন খারাপ ..আমি শুনেছিলাম ঠাকুরের যখন মন খারাপ হয় তখনি বৃষ্টি নামে .. .তখন আমি রবীন্দ্রনাথ কে সত্যিকারের ঠাকুর ভাবতাম.. যেমন দূর্গা ঠাকুর, লক্ষ্মি ঠাকুর তেমনি রবি ঠাকুর.. ঠাকুর নাহলে কি সবাই একসাথে এভাবে কারোর বার্থ ডে সেলিব্রেট করে… ঠাকুর না হলে কি কারোর জন্মদিনে প্রতিবছর বৃষ্টি হয় (তখন প্রতি বছর রবীন্দ্রজয়ন্তী তে বৃষ্টি হতো)..
তারপর অনেক গুলো রবীন্দ্র জয়ন্তী পেরিয়ে আমি বড় হয়ে গেলাম … আগের বছর এইদিন এ আমার পাশের বাড়ির বাচ্চা মেয়েটা আমার বিছানায় শুয়ে পা নাচাতে নাচাতে বলেছিল “জানিস আজ বিকেলে না বৃষ্টি হবে” আমি জিগেস করেছিলাম “তোকে কে বললো?” ও আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে বলেছিল ” তুই এটাও জানিস না.. আজ তো ঠাকুরের হ্যাপি বার্থ ডে .. আর ঠাকুরের হ্যাপি বার্থডে-তে তো বৃষ্টি হয়ই “

Copyright ©ANNAPURNA CHAKRABORTY, All Rights Reserved

আজ দিন : তিন

আজ আমার এই ব্লগ-টার তিন দিন বয়স হলো … এখন রাত সাড়ে ১২ টা বাজে আমার হুট করে খেয়াল হলো আজকে হাবিজাবি কিছু লেখা হয়নি ব্লগে.. তাই এখন ঘুম জড়ানো চোখে লিখছি.. আজকের দিন টা আর পাঁচটা দিনের মতই সাধারণ ছিল, তেমন কিছু ঘটেনি মনে রাখার মতো… নাকি ঘটে ছিল? আমি খেয়াল করি নি .?. প্রতিটা মুহুর্তে তো কত রং জড়িয়ে থাকে .. সেই সব রং একটু একটু করে মিশে স্বপ্ন তৈরী করে .. আমি খেয়াল করি না অত কিছু.. যেমন আজ করি নি .. আজও এক ঝাঁক পাখি উড়ে গিয়েছিল আমাদের ছাদের উপর দিয়ে আর তারপর আমার জানলার বাইরে সন্ধে নেমেছিল রোজদিনের মতো… আর আমাদের পাড়ার কুকুর টা (যাকে আমরা সবাই ভালোবেসে চুচু বলে ডাকি) খুউব ঘেউ ঘেউ করছিল বোধহয় অচেনা কাউকে দেখে… আমি জানালা খুলিনি.. এগুলো তো রোজই দেখি. কি হবে আবার নতুন করে দেখে .. নতুন করে আজকের সন্ধেটাকে ভালোবেসে ….